৬ আগস্ট ১৯৭৫

তখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন অধ্যাপক জোহা
ন্যায় নিষ্ঠাবান এবং অত্যন্ত কঠোর এই চিকিত্সক শিক্ষক বিনা কারণে পরীক্ষা পেছানো ক্লাস ফাকি দেয়া ইত্যাদি কঠোর হাতে দমন করতে চেষ্টা করলেন
কিছু ছাত্র ও ছাত্র নেতা ব্যাপারটা সহজ ভাবে নিল না
এদের মধ্যে কেউ কেউ পরকিল্পনা করলো অধ্যাপক জোহা কে হত্যা করার
৬ ই আগস্ট রাত – গ্রীষ্মকাল – দেশের মানুষ জানালা খুলেই ঘুমায় –
অধ্যাপক জোহার শয়ন কক্ষ লক্ষ্য করে খোলা জানালা দিয়ে শক্তিশালী গ্রেনেড ছোড়া হল
আততায়ীর কক্ষ নির্ধারণ ভুল ছিল – তারা যে কক্ষটি অধ্যাপক জোহার কক্ষ মনে করে ছিল সে রুমে এক বিছানায় ঘুমাত অধ্যাপক জোহার ১৫-১৬ বছর বয়েসী দুই কন্যা – মিলি আর টুসি – দুবোনের শরীর ই ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গিয়েছিল বোমার আঘাতে – তাত্ক্ষণিক মৃত্যু —

ওই হত্যা কান্ডের কখনো বিচার হয় নি – অধ্যক্ষের বাসভবন এর দারোয়ান এবং ক্যাম্পাসের প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণীতে যাদের কথা উঠে এসেছিল তাদের মধ্যে ছিলেন তত্কালীন মেডিকেল কলেজ মুজিব বাদী ছাত্রলীগের সভাপতির নাম – উনি গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং বহিস্কার হয়েছিলেন সাময়িক ভাবে – পরে সাক্ষীর প্রমানের অভাবে বিচার আর চলে নি
এই ভদ্রলোক বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের একজন পুর্ণমন্ত্রী