I have very little to add to the excellent summation of the recent HC verdict posted earlier. I would like to note some additional points. In our adverserial justice system, both sides get lawyers who argue for their clients. In this verdict, there was no one representing Ziaur Rahman. Whatever the merits of this writ petition, it seems unusual to proceed when one of the main actors is not represented in the case.

Much has been made out Lawrence Lifschultz’s statement to the Court, but given that he himself admits that he is reporting information that others told him, his statement becomes hearsay, and is not admissible in a court of law. Justice Manik has warned that any criticism of Lifschultz would be considered contempt of court. As we shall see below, contempt of court is a favorite weapon of Justice Manik’s. However, this sort of extension of contempt of court by fiat, to a person who is not a judge or officer of the court, is simply ridiculous. Finally, this case is directly covered by the Fifth Amendment verdict. Under that prior decision, the legality of the Taher trial comes down to whether this trial falls under these two exceptions:

(c) all acts during that period which tend to advance or promote the
welfare of the people;
(d) all routine works done during the above period which even the
lawful government could have done.

This is all the bench had to do. Did this trial increase public welfare? Even if martial law was not in effect, would another government have tried armed mutiny against the government? Instead, Justice Manik went on a determined campaign to vilify Ziaur Rahman.

Two years ago, Justice Manik was simply another Awami League hack in a position of power. However, he has certainly stood out in the last two years. He is on record defending BKSAL. He delights in hauling individuals, mainly private citizens and mid-level government employees, in front of him and berating them in most unjudicious language. On one occasion, he told Ziaul Huq Khandkar, chairman of the SEC:

পর্যায়ে আদালত চেয়ারম্যানকে তিরস্কার করে বলে, আপনি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য। গত এক মাস ধরে শেয়ারবাজারে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তার জন্য আপনার মতো লোকরাই দায়ী। আদালত শেয়ারবাজারের অস্থিরতার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র থাকার ইঙ্গিত দিয়ে আরও বলে, যিনি বিধিবদ্ধ সংস্থা ও সরকারী সংস্থার মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না, তিনি কী করে পরিস্থিতি সামলাবেন! এটা তো একটা কমন সেন্সের ব্যাপার। দীর্ঘ দিন অভিজ্ঞতার পরও তাঁর কমন সেন্স হয়নি।এ সময় আদালত তাকে তীব্র ভাষায় ভৎসনা করে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দেন।

However, his choicest words were reserved for Syed Abul Maqsud:

আদালত এক পর্যায়ে বলেন, একটা লোক নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করে, এটা একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য। আদালত বলেন, তিনি একটা ষড়যন্ত্রকে লালন করছেন। এ সময় সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, তিনি নিজেকে গান্ধীর অনুসারী বলে থাকেন। এ সময় আদালত বলে, কিভাবে গান্ধীর অনুসারী। তিনি একটি বুদ্ধিহীন লোক। তিনি যা লিখেছেন তা মারাত্মক। এক পর্যায়ে একজন আইনজীবী বলেন, তিনি একজন বুদ্ধিজীবী। তখন আদালত বলেন কিসের বুদ্ধিজীবী, তিনি একজন নির্বোধ। অপর এক আইনজীবী বলেন, তিনি জ্ঞানপাপী, তখন আদালত বলেন কিসের জ্ঞানপাপী, তিনি নির্বোধ। আদালত বলেন, কোর্ট সম্পর্কে আপনার কোন পরিষ্কার ধারণা নেই। আবার টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। আদালত সম্পার্কে টিআইবির রিপোর্ট সাপোর্ট করেন। টাউট, বাটপাড়, দালাল-যারা ঘুষ নিয়েছে তাদের আদালতের অন্তর্ভুক্ত করে টিআইবি বিচার বিভাগের দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশ করে। সে রিপোর্ট আপনারা সমর্থন করেন।অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এম কে রহমান আদালতের কাছে আবুল মকসুদকে মার্জনা করার আবেদন জানালে আদালত তাকে সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ ধরনের বুদ্ধিজীবীর জন্যই দেশের আজ এ অবস্থা

Justice Manik declared the Seventh Amendment illegal, but forgot to cancel the punishment for the appellant, which was the main point of the case. However, he certainly did not forget to let the nation know that he hated, hated, hated Ziaur Rahman.

Even after such devoted Zia-bashing, Justice Manik was hurt when he was not granted seniority and the recent promotion of judges to the Appellate Division were not to his liking. He threatened to promptly go on leave, but then changed his mind.

Hopefully, the spectacle that Justice Manik is making of himself and of the judiciary will cause everyone to think more critically about the necessity of placing qualified individuals on the bench. The issue here is not political identity: all individuals can have their own political philosophy. However, when law is nakedly insubordiated to partisan ideology, the image of the judiciary as a whole, and the rule of law it is designed to implement, is irrevocably damaged.