March 2011


When the lionization of Sheikh Mujibur Rahman is the first priority of this government, one would expect that the stock of Kader Siddiqui, one of the few men who took up arms after the 1975 massacre, would be very high. Unfortunately, Siddiqui broke with Sheikh Hasins during the last Awami Lwague government. On 1 March, 2011, our Anti-Corruption Commission filed a case against him for amassing illegal wealth. About three weeks afterwards, Kader Siddiqui responded by saying that Ziaur Rahman was indeed the person who declared Bangladesh’s independence, while Sheikh Majib was the Father of the Nation and the indisputed leader of the Liberation War. As expected, this caused a lot of consternation in pro-government circles. On the eve of our Independence Day, he responded to his critics. Some excerpts are given below; the full article is here.

On Khandakar Delwar Hossain and the Change in Our Political Climate:
দুইদিন আগেও যারা তার কত নাহক সমালোচনা করেছেন, কত অপমান অপদস্ত করেছেন তারাই যখন তার মরদেহে ফুলমালা দিলেন, শতকণ্ঠে প্রশংসা করলেন, তখন আমার অন্তর আত্মা কেঁপে কেঁপে উঠছিল। ভাবছিলাম নেতৃবৃন্দের কোন কথা সত্য? ফুলমালা দেওয়ার পর শতমুখে প্রশংসা, না মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে হাজার কণ্ঠে নিন্দা-অযৌক্তিক সমালোচনা? তবে আমার খুবই ভালো লেগেছে মরদেহের পাশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সভ্য ভাষণ। তার বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঙ্গে খোন্দকার দেলোয়ার রাজনীতি করেছেন। তারপরও কেন যেন দুঃখ হয়, তার জীবিতকালে চিফ হুইপ থাকতে সংসদের টাকা নিয়ে বাড়িতে বাজার করেছেন, চিকিৎসার জন্য তহবিল তছরুপ করেছেন। এসব অভিযোগ না আনলে কি হতো না? কেন জানি না আমরা রাজনীতিবিদরাই রাজনীতিবিদদের প্রধান শত্রু। তাদের বড় বেশি অপমান-অপদস্ত করি। এক আমলা আরেক আমলাকে রক্ষা করতে কত চেষ্টাই না করে। কিন্তু এক রাজনীতিবিদ আরেক রাজনীতিবিদকে সব সময় খতম করতে চায়। অনেক মিথ্যা অভিযোগে বিরোধী রাজনীতিকদের জেলে পাঠিয়ে কি হেনস্থাই না করা হয়। অথচ স্বাধীনতার পর খান এ সবুর খান যখন বঙ্গবন্ধুকে চিঠি দিয়েছিলেন ‘ভাই মজিবর, তুমি দেশ স্বাধীন করেছ, আজ তুমি প্রধানমন্ত্রী। আমরা না হয় ভুলই করেছি। তাই বুড়ো বয়সে জেলে থাকবো?’ চিঠি পাওয়ার তিন-চার দিনের মধ্যে খান এ সবুর খানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়েছিলেন। শাহ আজিজুর রহমান, তিনি যখন জেলে ওবায়দুর রহমান ও আমাকে দিয়ে শাহ আজিজের বাড়ির ভাড়া পাঠাতেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী যখন জেলে ছিলেন তখন তার বাড়ি থেকে খাবার পাঠাতে কোনো দিন কোনো বাধা হয়নি। আলাউদ্দিন মতিন, হক-তোয়াহা সাহেবরা যখন পালিয়ে থাকতেন তাদেরও গোপনে টাকা পাঠাতেন। ধীরে ধীরে আজ কোথায় গেল সেসব রাজনৈতিক সহমর্মিতা। খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর এত প্রশংসা যারা করলেন, তারা তার জীবিতকালে অমন সীমাহীন জঘন্য সমালোচনা না করলেই কি পারতেন না? আজ যারা গলা ফাটিয়ে কথা বলেন তারা কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনের জরুরি অবস্থার সময় ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে ছিলেন। সেদিন এই খোন্দকার দেলোয়ারই একজন নির্ভীক রাজনীতিবিদের মতো সিংহের তেজে মাঠে ময়দানে ছিলেন। তার নিজের দল বিএনপিতেও তিনি কম অপমানিত-লাঞ্ছিত হননি।

On Sheikh Mujibur Rahman and Ziaur Rahman:
আমি মনে করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মানে স্বাধীনতা। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক নন, স্বাধীনতার জনক। এখানে দোষের কি হলো? সেদিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে অনেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়াউর রহমানও দিয়েছেন। সামরিক ব্যক্তি ছিলেন বলে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে স্বাধীনতার আহ্বান মানুষকে অনেক বেশি উজ্জীবিত করেছে। এটাই সত্য। আমি তো জিয়াউর রহমানকে চিনতামও না, তার ঘোষণায় যুদ্ধেও যাইনি। অনেক আগে থেকেই যুদ্ধ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলাম। কিন্তু সেদিন জিয়াউর রহমানের ঘোষণায় কমবেশি আমিও উজ্জীবিত হয়েছিলাম। শুধু আমি কেন, আমাদের অনেক বড় নেতাও সে সময় খুশি হয়েছিলেন। তানাহলে কলকাতার বালিগঞ্জের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কেন জিয়াউর রহমানের ঘোষণা পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় নিয়মিতভাবে প্রচার করা হতো। এমআর আখতার মুকুলের কণ্ঠে চরমপত্রে কাদেরিয়া বাহিনীর গাবুর মাইর আর জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে ‘I Major Zia do hear by declare independence of Bangladesh on behalf of our great national leader Bangobandhu Sheikh Mujibur Rahman প্রতিদিন কেন বাজানো হতো। জিয়াউর রহমানের সেই ঘোষণা ‘our great national leader’ না বলে শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা বঙ্গবন্ধু বললে কিংবা শেখ মুজিবুর রহমান বললে কোনো ক্ষতি হতো না। অশুদ্ধ হতো না। কিন্তু সেদিন বঙ্গবন্ধুর উচ্চতা কতখানি ছিল তার সেদিনের সেই হাইট বুঝা যায় জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে Our great national leader বলায়। এখানে গ্রেট না বলে শুধু ন্যাশনাল বললে বাক্যের কোনো ক্ষতি হতো না। কিন্তু সত্যিকার অর্থে সে সময় বঙ্গবন্ধু যা ছিলেন জিয়াউর রহমান তাই বলেছেন। কোনো কমবেশি করেননি। করার উপায়ও ছিল না। যারা এখনো স্বাধীনতাকে স্বীকার করতে চান না তাদের কাউকেও যদি ওই সময় বেতার কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হতো তাহলে তিনিও জিয়াউর রহমানের মতো একই কথা বলতেন। একসময় নবাব সিরাজ উদদৌলা তার ভাঁড় গোলাম হোসেনকে বলেছিলেন, ‘তুমি মনে করো নবাবের বান্দা যা বুঝে আমি নবাব হয়ে তাও বুঝি না? কিন্তু কি করবো গোলাম হোসেন? কোনো উপায় নেই, উপায় নেই গোলাম হোসেন।’ সত্যিকার অর্থে আজ যে যাই বলুক, ‘৭১-এ বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া আমাদের কারোরই কিছু বলার বা করার উপায় ছিল না।জিয়াউর রহমানের ঘোষণা কেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচার করা হতো? জিয়াউর রহমানের তো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের উপর কোনো প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ ছিল না। বেতার কেন্দ্রটি ছিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে। আর সেটা পরিচালনা করতেন আমাদের টাঙ্গাইলের জননেতা আব্দুল মান্নান এমএনএ। স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে আমি তো এত মাতামাতির কোনো কারণ দেখি না। জিয়াউর রহমানের ঘোষণার রেকর্ড সবতো আর মুছে ফেলা যায়নি, এখনো তা রয়েছে। বাজিয়ে শুনুন না। তাতেই প্রমাণ হয়ে যাবে। আমি তাকে ঘোষক বললেই জিয়াউর রহমান ঘোষক হবেন, আমি না বললে হবেন না_ তা কি করে হয়? দেশের জনকের পক্ষে বা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে একটা ঘোষণা যে উচ্চারিত হয়েছিল যা বারবার প্রচার হয়েছে তা কালের সাক্ষী হয়ে আমিও শুনেছি। সেটা চোখ কান বন্ধ করে অস্বীকার করি কি করে? আজ কোনো স্বার্থের কারণে অস্বীকার করলে পরম প্রভু দয়ালু আল্লাহ তো আমাকে ক্ষমা করবে না

On the current government:


কেন ক্ষমা চাইতে হবে? মুক্তিযুদ্ধ করে বড় বেশি অন্যায় করে ফেলেছি? স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে জনকের পায়ের কাছে সব অস্ত্র জমা দিয়ে ভুল করেছি? বঙ্গবন্ধুর লাশ যখন ধানমন্ডি ৩২-এর বাড়ির সিঁড়িতে পড়েছিল, তখন জীবন-যৌবন বিসর্জন দিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনের কথা চিন্তা না করে তাদের বন্দুকের নলের মুখে ফেলে সেই হত্যার প্রতিবাদ করে ১৬ বছর নির্বাসনে থেকে এখনো বেঁচে থেকে কি খুব অপরাধ করেছি? মাফ চাইতে বলছেন। আমার নামে অভিযোগটা কি? জাতির সামনে অভিযোগ আনেন। জাতি বিচার করুক তখন দেখা যাবে কাদের মাফ চাইতে হয়। বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে যারা ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছে, জুতা বানাতে চেয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে যারা ফেরাউন বলেছে, যারা খুনি মোস্তাকের মুখ্য সচিব ছিল তাদের বগলতলে নিয়ে অত বড় বড় কথা শোভা পায় না। আমি অবশ্যই বলেছি বঙ্গবন্ধু কখনো স্বাধীনতার ঘোষক নন। তার স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। তার অনেক ঘোষক ছিল। আমরা থাকতে তার কি দরকার ছিল? আজ রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব কার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়? সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রায় সব কয়টি কেবিনেট মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেন তার বর্তমান প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। এটাই নিয়ম, এটাই পদ্ধতি। সেদিনও এমন নিয়ম, পদ্ধতি ছিল।

Advertisements

I have very little to add to the excellent summation of the recent HC verdict posted earlier. I would like to note some additional points. In our adverserial justice system, both sides get lawyers who argue for their clients. In this verdict, there was no one representing Ziaur Rahman. Whatever the merits of this writ petition, it seems unusual to proceed when one of the main actors is not represented in the case.

Much has been made out Lawrence Lifschultz’s statement to the Court, but given that he himself admits that he is reporting information that others told him, his statement becomes hearsay, and is not admissible in a court of law. Justice Manik has warned that any criticism of Lifschultz would be considered contempt of court. As we shall see below, contempt of court is a favorite weapon of Justice Manik’s. However, this sort of extension of contempt of court by fiat, to a person who is not a judge or officer of the court, is simply ridiculous. Finally, this case is directly covered by the Fifth Amendment verdict. Under that prior decision, the legality of the Taher trial comes down to whether this trial falls under these two exceptions:

(c) all acts during that period which tend to advance or promote the
welfare of the people;
(d) all routine works done during the above period which even the
lawful government could have done.

This is all the bench had to do. Did this trial increase public welfare? Even if martial law was not in effect, would another government have tried armed mutiny against the government? Instead, Justice Manik went on a determined campaign to vilify Ziaur Rahman.

Two years ago, Justice Manik was simply another Awami League hack in a position of power. However, he has certainly stood out in the last two years. He is on record defending BKSAL. He delights in hauling individuals, mainly private citizens and mid-level government employees, in front of him and berating them in most unjudicious language. On one occasion, he told Ziaul Huq Khandkar, chairman of the SEC:

পর্যায়ে আদালত চেয়ারম্যানকে তিরস্কার করে বলে, আপনি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য। গত এক মাস ধরে শেয়ারবাজারে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তার জন্য আপনার মতো লোকরাই দায়ী। আদালত শেয়ারবাজারের অস্থিরতার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র থাকার ইঙ্গিত দিয়ে আরও বলে, যিনি বিধিবদ্ধ সংস্থা ও সরকারী সংস্থার মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না, তিনি কী করে পরিস্থিতি সামলাবেন! এটা তো একটা কমন সেন্সের ব্যাপার। দীর্ঘ দিন অভিজ্ঞতার পরও তাঁর কমন সেন্স হয়নি।এ সময় আদালত তাকে তীব্র ভাষায় ভৎসনা করে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দেন।

However, his choicest words were reserved for Syed Abul Maqsud:

আদালত এক পর্যায়ে বলেন, একটা লোক নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করে, এটা একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য। আদালত বলেন, তিনি একটা ষড়যন্ত্রকে লালন করছেন। এ সময় সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, তিনি নিজেকে গান্ধীর অনুসারী বলে থাকেন। এ সময় আদালত বলে, কিভাবে গান্ধীর অনুসারী। তিনি একটি বুদ্ধিহীন লোক। তিনি যা লিখেছেন তা মারাত্মক। এক পর্যায়ে একজন আইনজীবী বলেন, তিনি একজন বুদ্ধিজীবী। তখন আদালত বলেন কিসের বুদ্ধিজীবী, তিনি একজন নির্বোধ। অপর এক আইনজীবী বলেন, তিনি জ্ঞানপাপী, তখন আদালত বলেন কিসের জ্ঞানপাপী, তিনি নির্বোধ। আদালত বলেন, কোর্ট সম্পর্কে আপনার কোন পরিষ্কার ধারণা নেই। আবার টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। আদালত সম্পার্কে টিআইবির রিপোর্ট সাপোর্ট করেন। টাউট, বাটপাড়, দালাল-যারা ঘুষ নিয়েছে তাদের আদালতের অন্তর্ভুক্ত করে টিআইবি বিচার বিভাগের দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশ করে। সে রিপোর্ট আপনারা সমর্থন করেন।অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এম কে রহমান আদালতের কাছে আবুল মকসুদকে মার্জনা করার আবেদন জানালে আদালত তাকে সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ ধরনের বুদ্ধিজীবীর জন্যই দেশের আজ এ অবস্থা

Justice Manik declared the Seventh Amendment illegal, but forgot to cancel the punishment for the appellant, which was the main point of the case. However, he certainly did not forget to let the nation know that he hated, hated, hated Ziaur Rahman.

Even after such devoted Zia-bashing, Justice Manik was hurt when he was not granted seniority and the recent promotion of judges to the Appellate Division were not to his liking. He threatened to promptly go on leave, but then changed his mind.

Hopefully, the spectacle that Justice Manik is making of himself and of the judiciary will cause everyone to think more critically about the necessity of placing qualified individuals on the bench. The issue here is not political identity: all individuals can have their own political philosophy. However, when law is nakedly insubordiated to partisan ideology, the image of the judiciary as a whole, and the rule of law it is designed to implement, is irrevocably damaged.

While giving the verdict on the legality of the punishment of Colonel Taher, the high-court bench of Justices Shamsuddin Chowdhury Manik and Zakir Hossain declared that the whole trial process was illegal and it was in fact a cold blooded murder of Taher by Late president Ziaur Rahman.

What high-court did to come to this conclusion? They interviewed one shoddy journalist character Lawrence lifshultz, who is a political follower of Taher’s communist doctrine. Other interviewed are also 1. Political opponents of Ziaur Rahman’s political platform 2. Supporters of ruling party who took it as their prime job to destroy Zia’s image 3. Political followers of Colonel Taher. Even the judges who delivered the justice, are publicly known nemesis of Ziaur Rahman’s ideology and are former leaders of socialist political platform based on Taher’s doctrine. And this is probably the first court proceeding in Bangladesh history where an witness could simply deliver his opinion via e mail to a third person. There was no ‘balai’ of oath taking, cross examination etc.

Before we go further into what these two judges did and what their judgment means, lets see what Taher in fact did back in early 70s.

1. Taher revolted against the then Awami League government of Sheikh Mijibur Rahman and formed and led an armed force called ” Gonobahinee”. Thousands and thousands of Awami League activists, leaders as well as general people were killed by the armed force. Any literature describing Mujib era Bangladesh will give testimony of the atrocities of Taher’s Gonobahinee.

2. While all other sector commanders were being promoted in the army as Brigadier/ Major General and who in turn helped rebuild the army, Taher was sacked from Bangladesh army by Mujib Government. ( It is unclear what Shamsuddin Chowdhury Manik had to say about this cold blooded sacking of ‘war hero’ Taher).

3. Many sources, well informed of the political military dynamics of 1975, say that it was Taher who was more likely to kill Mujib and there was an invisible race among Taher’s group and Faruq Rashids group in who would kill Mujib first. After hearing of the massacre of 15th August, most observers’ first suspicion was on Taher.

4. Taking the advantage of unstable situation of Bangladesh, Taher’s forces ( a select group of armed anti state forces including Taher’s brother Bahar) attacked Indian High Commission in Dhaka in an attempt to kill India’s high commissioner in Dhaka, Mr Samar Sen. Although Samar Sen survived with bullet wounds in his back, Police force guarding India’s high Commission shot and killed four members of Taher forces ( Including Taher brother Bahar).

(more…)

Khandaker Delwar Hossain, Secretary General of BNP, former lawyer and lecturer of Economics, veteran of of the Language Movement, the 1969 uprising, and the War of Liberation, former Member of Parliament from Manikganj, former Chief Whip of the Bangladeshi Parliament, and the recipient of the Ekushey Padak, passed away yesterday. He will be missed.

Khandakar Delwar Hossain began his political life as a founding member and leader of Manikganj district brunch of National Awami Party when it was formed by Maolana Bhashani in 1957. Even before that, his career as a grassroots leader showed promise as the 7 time elected President of Manikgankj district Lawyers Association.

Most of Delwar’s political trajectory tracks those of many other Bangladeshi politicians. Like many other disgruntled members of our Left, he joined the newly-formed BNP at its formative period. Elected five times as a Member of Parliament, he was, during 1991-1996 and then 2001-2006, the Chief Whip of the Bangladeshi Parliament. Like many other career politicians, he was facing challenge in his area from a business magnet-turned-politician, namely Harunur Rashid Khan Munnu of Munnu Ceramics. Perhaps most damningly, he didn’t sugerc-coat his words when it was his turn to speak: not to Khaleda Zia, and not to Tareque Rahman.

When forming her government in 2001, Khaleda Zia had decided not give Delwar any position at all, while Munnu would be given a cabinet position. However, at the last minute, many of his colleagues interfered on his behalf, and he was again given the consolation post of Chief Whip, while Munnu was taken in the cabinet, thought without a portflio. Delwar mostly remained out of the limelight in 2001 – 2006.

Fast-forward to September 2, 2007. Khaleda Zia had just been arrested; BNP’s number-2 person – Abdul Mannan Bhuiyan, had been co-opted by the “military-backed caretaker government.” Our present Prime Minister was already in prison, while her deputy, Abdul Jalil, had been broken under torture. Minus-two was this close to succedding.

But in an act of partial redemption, after making poorer and poorer choices regarding key personnel during her entire government, Khaleda Zia chose Khandaker Delwar Hossain as BNP’s new Secretary General. Before then, he had never held any cabinet positions, or indeed any senior leadership positions in his party. BNP was in ruins, most leaders were either in arrest, in hiding, or ready to side with General Moeen. The workers were resolute but scattered. The party of Ziaur Rahman was one good push from becoming history.

That push was attempted about a month later, in October. DGFI arranged a meeting of the turncoat BNP leaders in the residence of the frail ex-Finance Minister Saifur Rahman. The plan was to get a majority of the BNP Standing Committee members to show up at Saifur’s residence, and have Saifur, then in failing health, act as a figurehead, while Major Hafiz, and ultimately Abdul Mannan Bhuiyan, consolidated the rest of the party around them.

It did not work. After a brutal visit by DGFI where he was physically threatened, Delwar refused to cooperate and instead went into hiding, and then chekced into BIRDEM to avoid arrest. DGFI failed to get a majority of the Standing Committee to show up, and the moment slipped away. At this crucial point, a half-century’s worth of experience, first commenced at the feet of Moulana Bhashani, proved its worth. BNP, and Sheikh Hasina, survived to fight another day. Delwar passed the test that his far more illustrious predecessors: K M Obaidur Rahman, and Abdul Mannan Bhuiyan, did not.

To his credit, Delwar did not change his plain-spoken style even after Khaleda Zia emerged from prison, clashing with her and Tareque Rahman several times, most importantly about the future direction of the party and the fate of those who deserted BNP after 1/11. It may be something of a distant memory, but BNP was seen as an obsolete relic after Awami League had come back to power with a nine-tenth majority and Vision 2021 was in vogue. In this testing time, Delwar was a steady presence, and a voice of sobriety in inner-party deliberations. At a time when many were urging the BNP Chairperson to blindly oppose any move taken by the AL government, Delwar was particularly insistent that BNP could not, in principle, oppose a trial of the war criminals of 1971. There are instances when Delwar stormed out of party high commands meetings when he was having difficulty to convince the party chairperson/ other policy makers adopt his principled stand on many issues.

If the people of Bangladesh ever decide to forgive BNP for its many derelictions and mistakes and return the party to power, many individuals will again strut to the limelight of power and pretend that they are here by birthright. However, if not for this unassuming, non-telegenic politician, the political landscape of Bangladesh would be very different today. Khandaker Delwar Hossain fought the good fight, finished the race, and kept the faith. May his soul rest in peace.

Today’s News:

Reception for murder suspects on bail
Fri, Mar 11th, 2011 12:26 am BdST
Natore, Mar 10 (bdnews24.com) — The 11 men accused of an opposition leader’s murder have been given a grand reception after they were released on bail.

Suspects of Sanaullah Nur Babu’s murder were released from Natore Jail on Thursday evening after a High Court order on Mar 6 granted them bail. The victim’s family expressed alarm and dismay at the incident.

Local Awami League leaders received them with garlands at the jail gate around 7pm and later took them on a motorcade for a reception where they issued a 72-hour ultimatum to the witnesses.

The accused are Russel Hosain alias ‘Rappu’, Mohammad Rezaul Karim alias Rikon, 25; Hashem Mridha, 34; Gautam Ghosh, 22; Abdul Khaleque, 28; ‘Habib’, 24′ Bablu Molla, 24, Babu Molla, 25, Badsha Mandal, Ashraful Islam and Lutfar Rahman.

A High Court bench of justices Shamsul Huda and Abu Bakar Siddiqui granted their bail on Mar 6 subject to Natore’s chief judicial magistrate’s satisfaction.

Lawyer of the accused, Arifur Rahman, submitted the bail orders to chief judicial magistrate Mohammad Sharif Uddin on Thursday morning and the bails were granted for Tk 10,000 each.

On Oct 8 last year Baraigram Upazila chairman and BNP leader Sanaullah Noor Babu was chopped and beaten in public when the local BNP brought out a procession as part of the party’s month-long protest. Babu later died in the hospital.

At the reception ceremony the prime suspects, district Awami League publication and research secretary Zakir Hossain, said, “We did not kill Babu. But some people in Banpara have held meetings, processions, human chains demanding our punishment.”

“Within seven days the Banpara businessmen will have to prove we were involved in this murder. Otherwise, we vow that we will judge them ourselves.”

Another accused, Khokon Molla, said, “Not seven days, they will have to prove it within 72 hours. Otherwise actions will be taken against them.”

He also alleged that the video depicting the incident of the murder was a fake one. “It was doctored by the media. The video shows fake images,” he claimed.

BABU’S WIFE ALARMED

Mahua Noor alleged that she had been threatened to withdraw the case.

“They have threatened that they won’t let me out of my house. Those who did not receive bail are roaming around free…I can’t think where to seek shelter with my children. Perhaps we’ll have to run away from the country,” she said.

REACTION ON THE BAILS

Prime witness in the case Baraigram Juba Dal president Sardar Rafique told bdnews24.com, “I am frustrated at the confidence the accused are exuberating. Right after the reception, they called me and said ‘your wife will be made a widow just like Babu’s. You’ll soon find out the consequences of becoming a witness’.”

District Awami League president Sajedur Rahman Khan called the reception “a wrong thing to do”. “Whoever did it, didn’t inform us.”

Upazila BNP general secretary Hazrat Ali said it had become a lawless country. “Otherwise how are the murder accused are able to hold a reception while the case is still under trial?”

Criminal Investigation Department (CID) inspector Ahmad Ali is investigating the case. Even Five months after the incident, he has been unable to submit any investigation report to the court.

bdnews24.com/corr/sh/ta/nir/2306h

*********************************************************

Flash Back:

Elected Chairman of northern district Natore Upazilla Mr Sanaullah Nur Babu was murdered in a public place in broad daylight. The above video footage clearly identifies person committing the murder as local Awami League activists under clearly identified leadership of local leader Mr. Zakir.

This Mr Zakir has never been arrested after PM Hasina publicly defended him and putting the blame on BNPs’s internal conflict.

Out of the other killers, some were arrested only to be released on bail and given reception today.
No investigation or charge has yet been made in this murder.

Out of 160 million Bangladeshis, 60 to 100 million are looking for either the first job or a better job.

কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশি বিষে দংশেনি যারে

Unemployment is like hanging from the main street lamp post upside down. It is painful,it is destabilizing to self confidence, if devastating to creativity, it is like chronic burning, it is silent death.

All the sixty million jobless in Bangladesh will go anywhere, will do any job only to get over the curse of unemployment.

Professor Muhmmad Zafar Iqbal probably forgot how it feels like to be jobless.

Professor Muhammad Zafar Iqbal is scolding this young journalist and asking why he was not ashamed of working for Jamaat e Islami. ( He should not be that stupid to equate every journalist/ engineer working for Diganta TV with that of jamaat e Islami activist) The young journalist was polite in his response, but I feel she should have replied, ” Yes I am ashamed. I’ll quit this job as long as you take the responsibility of bearing my expenses and feeding my extended family.


[ In the clip the transcript of the incident is like this, … looking at Diganta TV reporter among the electronic media crew, Zafar Iqbal starts yelling, who is that, who is that…get out. get out. Then after someones request, he reiterates, no no I never gave interview to Diganta TV in my life. Then he looks at the Diganta reporter in hateful eye and asks him, ” Are you not ashamed off working for Jamaat?” The reporter replies, ” Sir, we are professionals. This is my fourth TV station. I used to work for Ekushey TV then had to move Channel 1 ( after Ekushey was closed by govt) and now ( after channel 1 is shut down by the government), I am working for Diganta TV channel. I don’t do jamaat, it has nothing to do with jamaat”. At the point Zafar Iqbal and a cylinder face lady standing behind her gets more aggressive at the Diganta TV journalist, ” Kisher professional, kisher professional/ who cares about professional…” . At that point, apparently after Diganta TV journalist leaves the scene, Zafar Iqbal asks other journalists, ” isn’t it my right to decline meeting certain TV channel? ” Then it was heard from other reporters, ” Diganta has left Sir, Diganta has left. Please give us interview Sir”. ]

 

 

The real reason of removal of Professor Muhammad Yunus is very simple.

The Economist did already break the fact in their 2nd March issue with this statement,

“….Sheikh Hasina had long before come to think that she herself was due the prize: not for microcredit-anything but for signing the Chittagong Hill Tracts treaty, also in 1997, which brought an end to almost two decades of fighting. Egged on by sycophants, she sent senior civil servants around the world to lobby for her nomination, unsuccessfully. Instead, suddenly, Mr Yunus had become by far the most famous Bangladeshi in the world, usurping even the prime minister’s late father, Sheikh Mujibur Rahman, who led the country to Independence in 1971. According to those who know her personally, this was a bitter pill for Sheikh Hasina to swallow.”

The only missing link in this news by Economist is that there was no independent confirmation of the fact by any spokesperson of the government or the Prime Minister. That confirmation was obtained by the press today. In a press conference following the High Court verdict regarding the removal of Dr Yunus, the Attorney General, lead lawyer of the state, asserted that,

“…Prime Minister Sheikh Hasina and adivasi leader Santu Larma should have been awarded the Nobel Peace Prize, for their contribution in establishing peace in the hills.”

Even without all these press reports, an overwhelming majority of Bangladeshis knew it very clearly that the prime reason behind these shameful handling of Dr Yunus by the government is Prime Minister’s jealousy and inability to tolerate any other Bangladeshi, except herself and her deceased father, held in high esteem by the populace. People of Bangladesh know all along that this is all about jealousy/ Hingsha and vandetta. Even the LA Times eluded to this theory of ‘Hinghsha’…

Next Page »