While our top judiciary were busy protecting their মান সম্মান (respect) by jailing, punishing and fining editors, newspaper reporter and publisher, it looks like the ‘public’ has spoken out. There is a local saying, পাবলিকের মুখ তো আর বন্ধ কইরা রাখতে পারবেন না… one can gag the media by jailing maverick editors, but whatever powerful one may be, no one can keep the general public from speaking out.

Exactly this is what happened to our high judiciary. Bangladesh chapter of Berlin based Transparency International conducted a household survey about their perception of corruption in different service sector in Bangladesh. In that survey, Bangladesh’s top judiciary was deemed most corrupt, even superseding Bangladesh’s notorious police force.

It is true a better perception should not have been expected when the high judiciary in Bangladesh is now led by shamelessly partisan, hypocrite, academically ill and misinformed Judge, Mr Khairul Haque. It matters a little how or what the leadership of our higher court feels about this demeaning public perception. But it is important to emphasize that after this, the judiciary does not have any moral right to keep dissident editor Mr Mahmudur Rahman in jail. Reporter Oliullah Noman, who already served a jail sentence, deserves an apology from this judiciary.

One may ask why public perception about the integrity of our judiciary did give such a nosedive. For them the story below should be enough to describe the state of our judiciary.

গত ১৩ নভেম্বর মতিঝিল থানায় দায়ের করা গাড়ি ভাঙচুর মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর আমীর রফিকুল ইসলাম খানকে গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার এসআই। আদালতের নথিতে রয়েছে, রফিকুল ইসলাম খান গত ২৫ আগস্ট থেকে সরকারের হেফাজতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ঢাকা মহানগর ডিবি কার্যালয়ে আটক রয়েছেন। আদালতের কাছে এ নথি সংরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও পুলিশের করা এ মিথ্যা মামলায় রফিকুল ইসলাম খানের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পল্টন থানার একই ধরনের অন্য একটি মামলায় তিন দিন রিমান্ড শেষে রফিকুল ইসলাম খানকে ২১ ডিসেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, রফিকুল ইসলাম খান গত ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় নটর ডেম কলেজের সামনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সশরীরে হাজির হয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে যাত্রীদের টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে বাসটি ভাঙচুর করেন। একই সাথে আসামি নিজ হাতে গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। দাউ দাউ করে বাসটি জ্বলতে থাকলে মতিঝিল থানা থেকে ঘটনাস্খলে গিয়ে তাকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি দীর্ঘ দিন পলাতক ছিলেন। গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার সময় তার সাথে যারা ছিল তাদের নাম-ঠিকানা জানতে তাকে সাত দিন পুলিশের হেফাজতে রাখা প্রয়োজন।

রফিকের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, মামলা দায়ের হয়েছে ১৩ নভেম্বর। ঘটনাও ঘটেছে ওই দিন। ফরোয়ার্ডিংয়ে বলা হয়েছে, গাড়ি ভাঙচুর ও পোড়ানোর ব্যাপারে তিনি স্বয়ং হাজির থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি নিজ হাতে আগুনও দিয়েছেন। অথচ এ ঘটনার দুই মাস ১৮ দিন আগে ২৫ আগস্ট রফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই দিন থেকে তিনি কারা ও ডিবি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। কাজেই রিমান্ড তো দূরের কথা, এ মামলাই গ্রহণযোগ্য নয়।

আদালত আসামিপক্ষের আইনজীবীদের তাদের বক্তব্যের সপক্ষে তথ্যপ্রমাণ দিতে বলেন। আইনজীবীরা রফিকের গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতের বিভিন্ন তারিখের আদেশ ও এর আগে রিমান্ডের কাগজপত্র পেশ করেন। তারা উচ্চ আদালতের একটি আদেশনামাও পেশ করেন। এতে উল্লেখ রয়েছে, রফিক গত ২৫ আগস্ট থেকে সরকারের হেফাজতে রয়েছেন। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামিপক্ষের দাবিই সঠিক এবং পুলিশের মামলাটি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।

লজ্জার বিষয়, দলীয় তাগিদে পেশাগত নৈতিকতা জলাঞ্জলি দিয়ে মিথ্যাচারেও পিছপা হলেন না সরকারপক্ষীয় আইনজীবীরা। তারা আদালতকে বললেন, পুলিশ যে মামলা দিয়েছে তা সঠিক। আসামিকে রিমান্ড থেকে বাঁচানোর জন্য তার আইনজীবীরা আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করছে। এক পর্যায়ে আদালতের বিচারক অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলী হোসাইন এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান। খাস কামরায় বসেই তিনি রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সাথে জামিনের আবেদনও নাকচ করে দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

In a nutshell, a senior leader of political party Jamaat has been under arrest since 25th August. The whole country knows about it. As the cases against him are not that strong and to extend his jail term or to make him confess to something specific, government’s law men needed to bring him back to remand ( Questioning/ torture time). For this reason a request was made to Dhaka district CMM court to grant ten days remand and continued incarceration on the ground that this leader himself burnt buses on 13th November. Per police request, police officials themselves saw that this specific leader was setting fire to a bus and while the bus was set ablaze, he ran away.  And since then he was hiding until 21st December when he was produced before this Choef Metropolitan Magistrate Court. While defendant’s lawyers informed the judge that the defendant in under arrest from 25th August and produced all the paper works in support of their claim, the government lawyers response was that the paper-works were false and fabricated.  The honorable Judge, after being satisfied with government lawyers’ incredible argument, granted maximum ten days remand of the defendant and also approved continued incarceration. ( He even did not bother to ask why continued imprisonment need to be granted if he was indeed not in jail until now).

Advertisements