Update I: Shamsher Mobin Chowdhury granted bail and then again arrested as he was leaving the jail premises.

Awami League’s reaction to BNP’s June 27th hartal was an important event in our recent political history. Coming in the government’s eighteenth month of power, this hartal was not aimed at forcing the Awami League Government to resign or to call new elections; it was simply to protest the increase in public suffering caused by lack of gas, electricity, water, and some other issues. So far, BNP has been the most benign of oppositions. Had Awami League not resorted to violence and let this hartal go without incident, we would have seen an extended period of calm and stability in our politics. Unfortunately, Awami League chose to use the Police, Rapid Action Battalion and its own student wing, Bangladesh Chatra League, to suppress the peaceful pro-hartal protests. The results were as horrifying as they were decisive.

All around Dhaka, law enforcement officials and Awami League party-men swooped upon BNP supporters and assaulted them. This attack on Shahiduddin Chowdhury Annie, MP is extremely illustrative of what happened all over Dhaka that day. At the beginning, Annie is clearly leading a procession BNP supporters, all of whom are trying to protect Annie. Successive attacks peel away everyone around him, until Annie himself is left naked in front of Chatra League brutality. Such episodes were repeated all throughout the day; the only difference was that since Annie is a Member of Parliament, this news made it to the national media.

The attack on Mirza Abbas’s house, when his wife, teenage daughter, and octogenarian mother were all attacked by the police and RAB, and assaulted violently, was another low point for democracy in Bangladesh. All of us know that Bangladesh is the mirror-image of Clauswitz’s famous dictum: in our country, it is politics that is continuation of war by other means. Even accounting for that, and remembering that this is the same party in power who gave us BKSAL and Rakkhi Bahini the first time around and Joynal Hazari and Shamim Osman the second time around, this behavior will come back to haunt Awami League in the years to come.

We are unfortunate in that our leaders seem incapable of learning from their own life-experiences. We don’t need to go as far as Gandhi or Nehru. Even amongst India’s current leaders, who are dwarfed by their great predecessors, we have people like Nitish Kumar and Mayawati. After personally suffering from the blatant cronyism and abuse of power practiced by Lalu Prasad Yadav, Nitish Kumar has successfully brought good governance to Bihar, India’s most backwards state. Similarly, after facing a life of discrimination as a Dalit in India, Mayawati has made it her life’s mission to ensure that Dalits have their rightful representation in India’s democratic system.

We realize all too well that Sheikh Hasina has probably not led a street procession in the past fifteen years, if not longer. But Sahara Khatun, the current Home Minister, should well remember what the wrong end of a police baton feels like. If, even after everything she has been through, she has no urge to reform our police force, and especially their training procedure when encountering opposition protests against the government, she will leave Bangladesh a worse place than it was when she assumed office.

Such has been the glaring abuse of power by the government that no newspaper or television channel could afford to stay silent about it. Pro-Awami League media figures tried to just report the news and then banish it from the headlines as soon as possible, or offerr some mealy-mouthed analysis that saught to downplay Awami League’s culpability as much as possible. The honorable exception has been Syed Abul Maqsud, who puts the entire event into perspective, His article is reproduced in full from Prothom Alo at the end of this post.

A few other points to ponder

1. Bangladesh Chatra League becomes part of Jamaat: Syed Ashraful Islam made his best effort yet towards besting The Onion by claiming that Bangladesh Chatra League was in no way a part of Awami league and that Awami League would bear no blame for the horrendous behavior exhibited by Chatra League on the day of the hartal. Memo to the minister: denial is not a river in Egypt.

2. CCC election: All the glowing reports you have been reading how Sheikh Hasina’s decision of accepting Manjur Alam marked a new chapter in mutual respect in our country’s political history? File it under the trash folder. Obviously, our prime minister has been raging mad over the last few days over the electoral loss. Just like the manipulation in the Bhola by-election was a direct by-product of BNP’s victory in the lawyers’ and university teachers’ elections, the atrocity shown by government forces during the day of the hartal was a result of the frustration at the very top level of our governemnt over Awami league’s recent electoral defeat at Chittagong.

3. Arrest of Shamsher Mobin Chowdhury: Shamsher Mobin Chowdhuryis a former foreign secretary, and ambassador to Washington DC. Sheikh Mujibur Rahman placed a little medal called the Bir Bikram, something the current cabinet may have heard about, around his neck for his bravery in our 1971 War of Liberation, in which he lost part of a leg. As a result, to this day, he walks with a cane. That the police would pick up a disabled freedom fighter, charge him of trying to choke a police constable with his bare hands, and then take him on remand, is beyond farcical, beyond comical, and beyond belief.

4. The end of RAB as a professional force: This hartal also marks the end of Rapid Action Battalion. or RAB as it is commonly known, as a professional force. Created by the BNP out of hand-picked military officers to go after organized criminal gangs and extremist terrorist organizations, this force was purposefully kept out of normal political operations to maintain its credility and trustworthiness amongst the people. However, by using it as an extension of our police to attack and beat up BNP activists, the current governemnt has indicated that its days are numbered. The calculation is simple, the more RAB is used as a tool for political oppression, the less value will it have as a finely-honed instrument for busting organized crime.

And finally, Syed Abul Maqsud’s Prothom Alo piece is reproduced in full:

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উপমহাদেশে প্রথম হরতাল পালিত হয় মহাত্মা গান্ধীর আহ্বানে। সেটা ১৯১৮ সালের কথা। তার আগে ‘হরতাল’ শব্দটি প্রচলিত ছিল না। হরতাল ডাকায় এবং তা পালনের প্রস্তুতি নেওয়ায় গান্ধীজি, মওলানা আজাদ সোবহানি, ডা. সাইফুদ্দিন কিচলুসহ বহু নেতার ওপর সেদিন সরকারি নির্যাতন নেমে এসেছিল। যেমন ২৭ জুন হয়েছে মির্জা আব্বাস, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ নেতার ওপর।
৯২ বছর যাবৎ আমাদের দেশে হরতাল হচ্ছে। গত শতাব্দীর বিশের দশকে হরতালের মধ্যে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্ত্রী বাসন্তী দেবী, তাঁর একমাত্র ছেলে চিররঞ্জন দাশসহ অসংখ্য পিকেটার গ্রেপ্তার হয়েছেন। কবি নজরুল ইসলামকেও আটক করা হয়েছে। তাঁদের হাড্ডি ভাঙা হয়নি।
পাকিস্তানি ২৪ বছরে সবচেয়ে বেশি হরতাল ডেকেছেন মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু। আমরা তাতে অংশ নিয়েছি। জীবনে একবারই মাত্র মোনায়েমি পুলিশের পরশ পেয়েছি। হরতাল-মিছিলে পিকেটারদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধেই। সংঘর্ষ বাধুক আর না বাধুক, পিকেটারদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক শ্যালক-ভগ্নিপতির নয়। অর্থাৎ মধুর নয়।
সেই পাকিস্তানি আমলে আমাদের নেত্রী মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়েছে। এরশাদ শাহীতেও তিনি, সাহারা খাতুনসহ আরও বহু নারীনেত্রী পুলিশের নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। বেগম জিয়ার দুই জামানায় সাহারা খাতুনের সঙ্গে পুলিশের আচরণ ছিল নিন্দনীয়। সে সম্পর্কে আমি বীর উত্তম কাজী নূরুজ্জামানের নয়া পদধ্বনি, কাজী শাহেদ আহমদের খবরের কাগজ ও আজকের কাগজ এবং মতিউর রহমানের ভোরের কাগজ-এ আমার কলামে প্রতিবাদ করেছি। সৌভাগ্য কাকে বলে—আজ মতিয়া আপা শুধু নন, সাহারা খাতুনও মন্ত্রী এবং পুলিশেরই মন্ত্রী। পুলিশ এখন যা করবে তার দায়দায়িত্ব তাঁকেই বহন করতে হবে।
হরতালের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে মহানগর পুলিশ কমিশনারের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে তিনি আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা। হরতালের দিন টিভি সংবাদ দেখে মনে হলো তিনি জেনারেল ডায়ারের ভূমিকা পালন করছেন। ৯২ বছর আগে জেনারেল ডায়ার জালিয়ানওয়ালাবাগে গুলি চালানোর হুকুম দিয়েছিলেন। আমাদের পুলিশকর্তা অবশ্য সে ধরনের হুকুম দেননি। তিনি বলেছেন পেটাতে। শুধু পুরুষকে নয়, নারীকেও বেদম পেটাতে। পুরুষ পিকেটাররা তো পেটানি খাবেই, এবার পেটানো হয়েছে নারীদের। নির্মম পেটানি। বীভৎস লাঠিপেটা। মেয়েদের পিঠ-পাঁজর-কোমর ও হাত-পায়ের হাড় গুঁড়ো করা হয়েছে। এক মহিলাকে দেখলাম, তিনি পুলিশের হাতে-পায়ে ধরছেন, তবু তিনি মাফ পাননি।
আমরা মনে করছি এটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখছি, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলাতন্ত্রের চেয়ে বেশি আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র বাংলাদেশ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার গত ৬২ বছরে মিডিয়ায় যত বক্তব্য দিয়েছেন, আমাদের ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার গত ৬২ সপ্তাহে তার চেয়ে বেশি বক্তব্য দিয়েছেন। এবং সেই বক্তব্যে শাসকের সুর। ধমকের ভাব। পুলিশ কর্মকর্তাকে দোষ দেব না। সরকারের আশীর্বাদ নিয়ে অথবা সরকারের আশীর্বাদ পেতেই তিনি বক্তব্য দিচ্ছেন। তবে ধারণা করি, জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, মোরারজি দেশাই, বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং এসব অফিসারি তোষামতি রাজনীতি অনুমোদন করতেন না। গণতন্ত্রে সেটা করা হয় না। ভারতে হয় না, ব্রিটেনে হয় না, ফরাসি দেশেও হয় না।
স্বামীরা স্ত্রীদের পেটাচ্ছে ঘরের মধ্যে। বখাটেরা বদামি করছে রাস্তার মধ্যে বা আম-জামগাছের আড়াল থেকে। পুলিশ মেয়েদের গায়ে লাঠি দিয়ে পেটায় রাস্তার মধ্যে। হাজার হাজার মানুষের সামনে। ১২ বছর আগে যেদিন পুলিশ এক নারীর ওপর হামলা করে এবং তার কাপড় খোলে, আমি তার পরদিন সংবাদ-এ প্রথম-পাতা মন্তব্যে ঘৃণা প্রকাশ করেছিলাম। এখন আর কোনো কিছুতেই ঘৃণা হয় না। হরতালের দিন টিভিতে মহিলাদেরকে নির্মম মারধর দেখে আমার বারবার শুধু মনে হচ্ছিল: এই পুলিশরা কি ভুলে গেছেন যে তারা কোনো-না-কোনো নারীর গর্ভেই জন্মেছেন। হরতাল-সমর্থক মেয়েরা বিএনপির লোক কি না, সেটা বিবেচ্য নয়। নারী নারীই। আওয়ামীপন্থী হোক বা বিএনপিপন্থীই হোক—নিজের কন্যা হোক বা অন্যের মেয়ে হোক, খালা-ফুফু, নানি-দাদি হোক—সবাই যে আমাদের মা। এ বোধ থাকা দরকার।
হরতাল সফল হওয়ায় বিএনপির নেতারা জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জনগণ হরতাল সফল করেনি। হরতাল সফল করেছে সরকার। কারও যদি ধন্যবাদ প্রাপ্য হয়, তাহলে তা প্রাপ্য সরকারের। বেগম জিয়া হরতালের ঘোষণা দেওয়ার ঘণ্টাখানেক পর থেকে হাহাকার শুরু হয়—হরতাল দিচ্ছে, সব গেল, কলকারখানা গেল, অর্থনীতি গেল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার গেল এবং ২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনাও নস্যাৎ হয়ে গেল। শুধু নেতারা নন, সরকারপ্রিয় উপসম্পাদকীয় লেখকেরা দুই হাতে লিখেছেন হরতালের বিরুদ্ধে। নেতাদের বক্তৃতা ও কলাম লেখকদের রচনায় ফল হয়েছে এই যে, জনগণ মনে করেছে, হরতাল তো আমরা কোনো দিন দেখিনি। হরতাল জিনিসটি যখন এতই খারাপ, সুতরাং তা না হয় একটি দিন পালন করেই দেখি। সুতরাং হরতাল সফল হয়ে গেল।
যারা ক্ষমতায় থাকেন, তাঁদের উচিত একটু আক্কেল করে কাজ করা।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।